রবিবার , ২৬ মে ২০২৪ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কমিউনিটি
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. ফটো গ্যালারী
  7. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  8. বিনোদন
  9. ভিডিও গ্যালারী
  10. যুক্তরাজ্য
  11. লাইফ স্টাইল
  12. শিক্ষা
  13. সর্বশেষ
  14. সারা বাংলা

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ১০ গ্রামসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ

প্রতিবেদক
TV24@bangla
মে ২৬, ২০২৪ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ

এম এ ইউসুফ আলী,রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বেড়েছে ৪ থেকে ৫ ফুট। এরফলে কোথাও কোথাও ভাঙা বাঁধ ভেঙে, কোথাও বাঁধ উপচে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে। আর প্লাবিত হয়েছে নিচু এলাকাগুলোও। নতুন করে কয়েকটি এলাকার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।জানা গেছে, রবিবার (২৬ মে) সকাল দশটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত নদ-নদীতে জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়। এই সময় ভাঙা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের মধ্য চালিতাবুনিয়া, বিবির হাওলা, চিনাবুনিয়া ও গরুভাঙা গ্রাম প্লাবিত হয়। অন্যদিকে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামেও অনেক আগ থেকেই ভেঙে থাকা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে লোকালয়ে। এছাড়া চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বউবাজার, দক্ষিণ চরমোন্তাজ, হিন্দু গ্রাম, মিটার বাজার ও নয়ারচর এলাকার কোথাও বাঁধ ভেঙে এবং কোথাও বাঁধ উপচে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে ওইসব গ্রামে। শুধু তাই নয়, উপজেলার বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা এবং বেড়িবাঁধের বাহিরের এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাহিরের উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া, চরমোন্তাজ ইউনিয়নের মোল্লা গ্রাম, বেড়িবাঁধহীন সদর ইউনিয়নের চরকাশেম, চরযমুনা, চরকানকুনি, ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চরনজির, চরকাউখালী প্লাবিত হয়।ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়ে এসব এলাকার হাজারও মানুষ। তবে দুপুর ২ টার পর নদ-নদীতে ভাটা শুরু হওয়ায় পানি কমতে থাকে এসব এলাকা থেকে।

 

কিন্তু রাতের জোয়ারে আবারও গ্রামগুলো প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা করছে স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্যমতে, নতুন করে কয়েকটি এলাকার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজ, চরআন্ডা এবং চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি পয়েন্ট। মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক তথ্যমতে, উপজেলার প্রায় এক হাজার পুকুর ও ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এতে মৎস্য চাষীদের ক্ষতি হয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, চরমোন্তাজের চরআন্ডা এবং দক্ষিণ চরমোন্তাজ এলাকায় নতুন করে বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকেছে। চালিতা বুনিয়ায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকেছে। নতুন করেও সে এলাকায় বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় পুকুর ও ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আশ্রয় কেন্দ্রে পাঁচ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। রাতে সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
বার্তা প্রেরক
এম এ ইউসুফ আলী

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

সীতাকুণ্ডে ওলিয়ে কামেল মাহমুদুর রহমান কমপ্লেক্সের গুণীজন সংবর্ধনা

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কটিয়াদী প্রস্তুতি সভা

লন্ডনে সাংবাদিক শর্মিলা মাইতি’র সম্মানা দিয়েছে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির

উৎসবমুখর পরিবেশে ভিয়েতনামে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন

সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উপহার বিতরণ

ভালুকা উপজেলার ০৮ নং তাঁতীলীগের অনুমোদন

প্রবাসী কর্ণফুলী ক্রিয়া পরিষদ ত্রিদেশীয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট সম্পন্ন

এনায়েত খান মহিলা কলেজের মিলনমেলা

রাষ্ট্রপতির সাথে এনআরবি সিআইপি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত

২ বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান বঙ্গবন্ধু লেখক এবং সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ উৎসব