TV24@bangla ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৮:০২ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ
টিভি২৪ বাংলা :
নির্বাচন শেষ হওয়ার পরদিন থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলায় বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের নেতাকর্মী, সমর্থক ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

জামায়াতের অভিযোগ, এসব ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়িত। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
দলটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী— খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর উপাচার্যের ওপর ছাত্রদল কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। দিনাজপুরে জামায়াতের এক পোলিং এজেন্টের বাবাকে মারধর ও বাড়িতে অগ্নিসংযোগের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পঞ্চগড়ে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর নেতা সার্জিস আলম। বাগেরহাট-৪ আসনে আল-আমিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে। ফুলগাজী (ফেনী) উপজেলার মুন্সীরহাট এলাকায় জামায়াত নেতার দোকানসহ চারটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন ফেনী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন। সেনবাগ (নোয়াখালী), উখিয়া (কক্সবাজার), কুড়িগ্রাম, খুলনা, পাটগ্রাম, বরিশাল, চট্টগ্রাম, চকরিয়া, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, সন্দ্বীপ, দিরাই, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
জামায়াতের দাবি, এসব ঘটনায় তাদের অন্তত কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং একাধিক বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এসব ঘটনাকে “নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিহিংসামূলক সহিংসতা” হিসেবে আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। দলটির নেতারা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যও জানা যায়নি।
-উল্লেখ্য: উল্লিখিত ঘটনাগুলো জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত অভিযোগের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা হবে।










